আলোড়ন সৃষ্টিকারী সেরা ১০ টি গজল | New Gojol 2021 | Bangla New Gojol 202...
হিয়া অর্ধনগ্ন হয়ে কারো সাথে ভিডিও কলে কথা বলছে ক্লাস রুমে,
এমন সময় ক্লাসে ঢুকে পড়ে বোকা ছেলে দুদু মিয়া,
আর দাঁড়িয়ে দেখছিলো হিয়ার চরম
,,,,,,,,,,উত্তেজনা আর দুদু মিয়া ভয়ে
চিৎকার দিয়ে উঠে,
দুদুর চিৎকার শুনে হিয়া চমকে যায়,
আর ভয়ে তারাতারি জমা পড়ে দুদু মিয়ার কাছে আসে,
হিয়া ভয়ে ভয়ে দুদু মিয়ার কাছে আসে
হিয়া; আপনি কে?
--হামি হামি দুদুদু,,,,(চোখ বড় বড় করে)
হিয়া; প্লিজ ভাইয়া কাউ কে কিছু বলবেন না,আপনি কে বলেন?
---হামি হামি দুদুদু,
এবার হিয়া রেগে বলল আরে আপনি যা দেখার দেখছেন তো আবার বলছেন কেনো,
--না, বলছি মানে আমি দুদু মিয়া;
হিয়া; কি মিয়া,
---দুদু মিয়া,
---ফাইজলামি করেন আমার সাথে,
---এই যে আমার আইডি কার্ড দেখেন,আচ্ছা আপনি কি করছিলেন
--ঐ তো মেমেকাপ ঠিক করছিলাম,
--ও এই ভাবে মেকাপ ঠিক করে বুঝি,
হিয়া; আচ্ছা আপনি কোন ডিপার্টমেন্টের,
--আমি এই ডিপার্টমেন্টের আজই নতুম আসছি,
হিয়া; মানে
--মানে আমি ট্রান্সফার হয়ে আসছি,
হিয়া; ও তাহলে তো আমরা একই ডিপার্টমেন্টে আমরা প্লিজ কাউ কে বলো না,
দুদু মিয়া দাঁত বের করে একটা হাসি দিয়ে আচ্ছা বলব না,
হিয়ার কাছে বিচ্ছিরি লাগলেও কিছু করার নাই,মেনে নিতেই হবে,
হিয়া; আচ্ছা এত সকালে আসছো কেনো,?
--আমি নতুন তো তাই চিনি না জানি না,তাই আর কি,
হিয়া অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী,ইউনিভার্সিটির ১০টা সুন্দরী মেয়ের মধ্যে হিয়া একজন,
আর দুদু মিয়া হাবা,বোকা একটা ছেলে ঢিলেঢালা ফুল হাতা শার্ট গায়ে,
বাচ্চাদের মত মাথায় শীথি করা,
আর স্কুলের বাচ্চাদের মত ব্যাগ কাধে,
দেখতে অধভূত ২০১৯ সালে এমন ছেলে আছে,ভাবতেই অবাক লাগে,
যাক সে কথা আবার গল্পে ফিরে আসি,
একে একে সব স্টুডেন্ট চলে আসে আর ১০টায় ক্লাস শুরু হয়,
রফিক স্যার প্রথম ক্লাস নেয় এসে সবার দিকে তাকাতে নতুন মুখ দেখতে পায়,
রফিক স্যার; এই তুমি কে, তোমাকে তো আগে দেখি নাই,নাম কি?
---স্যার আমি দুদু,
---হ্যাঁ, কি নাম
--স্যার আমি দুদু মিয়া,
সবাই হোহো করে হেসে দেয় নাম শুনে,
স্যার সবাই কে থামিয়ে,
---তা দুদু কি করো,,,
এই কথা শুনে স্যারের মুখের দিকে সবাই তাকিয়ে আছে,
আর স্যার বেপার টা বুঝতে পারলো তাই কাশি দিয়ে বললেন, মানে বলতে চাইছি,তুমি বসে কি করছিলে,।
আচ্ছা বাদ দেও,
তোমাকে তো আগে দেখি নাই,
দুদু মিয়া; স্যার আমি আজই ট্রান্সফার নিয়ে এই ইউনিভার্সিটিতে আসছি,
স্যার; আচ্ছা বসো,
সন্ধ্যা ৭টায় হিয়া ফোন টা হাতে নেয়,দেখে ৬০টা মিস কল,আর ফোনে টাকা না থাকায় তখন ফেসবুকে লগইন করে,
দেখে ১০০+ মেসেজ দেখে অবাকই হয়ে যায়,
অনেকে মেসেজ করছে সব এমন
আপু short Film টা কিন্তু অস্থির হয়ছে,আরো দেখে আপনি এত হট কেনো,
আরো নিচের দেখে ফ্রেন্ডরা মেসেজ করছে,
হিয়া এই সব কি ভিডিও পিক দেখলাম।
তুই এমন বিশ্বাস করতেও কস্ট হচ্ছে,
হিয়া খুব চিন্তায় পড়ে যায়, যে কি হয়ছে,
এমন সময় একজন একটা ভিডিও পাঠায় আর সেই ভিডিও তে হিয়া,
যে টা আজ সকালের,
তাহলে কি দুদু মিয়া কি?
ভেবে আবার টাইমলাইন দেখতে লাগলো,আর যা দেখলো তা হল লিমনের আইডি থেকে নুড ভিডিওটা আপলোড করা হয়েছে,আবার হিয়া কে ট্যাগ করা হয়েছে,(সব সময় গল্প গ্রুপে পোস্ট করা সম্ভব হয় না,তাই বাকি গল্প পেতে Add দিয়ে সাথে থাকুন)
হিয়া মুহুর্তেই মাথা ঘুরে পড়ে যায়,
লিমন যে এমন করবে তা স্বপ্নেও ভাবতেও পারে নাই হিয়া,
হিয়া বাহিরে যেতে পারে না,হিয়ার বড় আপু রিয়া এসে বলে তুই এত টা জঘন্য কাজ করবি তা কোন দিন ভাবতে পারি নাই,যদি বাবা মা জানতে পারে কি হবে জানিস,
আমার তো মনে হয় না এই সব গোপন থাকবে না,
২ঘন্টায় লাইক পড়েছে ২০হাজার লাইক,শেয়ার ২৫হাজার আর কমেন্ট তো বলার বাহিরে,
ছেলে টা কে নাম বল ঠিকানা দে,আমি কথা বলবো,
হিয়া তার বড় আপু রিয়া ঠিকানা দেয়, তারপর ফোন দেয় লিমন কে কিন্ত লিমনের ফোন বন্ধ, সারা রাত ট্রাই করে কিন্ত লিমনের ফোন অফ,।
হিয়া বাড়ি থেকে লজ্জায় বের হতে পারে না,
হিয়ার বড় রিয়া পরেরদিন লিমনের বাসায় যায়, সাথে হিয়া কে নিয়ে যায়,
বাসার সামনে রিক্সা থেকে নেমে দেখে অনেক মানুষ বাসায় আর কিছু একটা
বলাবলি করছে,
দুই বোন বাসার ভিতরে যায়,কিন্ত ঘর ভর্তি মানুষ আর পুলিশও দেখা যাচ্ছে,
হিয়া আর একটু এগিয়ে যায় মানুষজন কিছু একটা ভিড় করে দেখছে,
হিয়া ভিড় ঠেলে ভিতরে যেতেই দেখে,
লিমনের ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়ে আছে,
মানে লিমন খুন হয়েছে,
লিমনের সারা শরীরে পেরেক মারা আর লিমনের পুরুষাঙ্গ তে ২টা পেরেক মারা,আর বুকের উপর চামড়া কেটে লিখা ব্ল্যাক ভাইরাস,
......
চলবে.....
..
...
#ব্ল্যাক_ভাইরাস
#পার্টঃ১
========================= 000000000000 ==============
#পর্ব-০২
#writer:MD.Helal Mahmud
....
...
যে নুড ভিডিও ভাইরাল করছে সে এখন লাশ হয়ে পড়ে আছে,আর হিয়াও জীবন টাও অন্ধকারে ঢেকে গেলো,
হিয়া আর রিয়া বাড়ি চলে আসে,, রিয়া বলে তুই তোর ফোন অফ করে রাখ
নতুন কোন ঝামেলায় জড়ানোর কোন
দরকার নেই,
এখন হিয়ার মনে একটাই প্রশ্ন লিমন কে কে খুন করবে,আমার জানামতে ও তো কারো ক্ষতি করে নাই,
কিন্ত হিয়া ভেবে কোন কুল কিনারা পাচ্ছে না,
হিয়া আজ ৫দিন হল ইউনিভার্সিটিতে
আসে না,
একদিন আসছিলো কিন্ত বাজে কথা
শুনতে হয় তাই আর আসা হয় না,
কিন্ত এই কয়দিনে দুদু মিয়া একটা মেয়ের প্রেমে পড়ে যায়,
মেয়ে একটা বোরখা ওয়ালী কলেজে আসে বোরকা পড়ে,খুব পর্দা করে মেয়েটা, মেয়েটি কারো সাথে কথা বলে না,কথা বললেও খুব কম কথা বলে,
দুদুই প্রথম মেয়েটির সাথে সেধে কথা
বলতে যায়,
--আসসালামু আলাইকুম, আমি দুদু মিয়া,আপনার নাম কি?
মেয়েটি সালামের উত্তর দিয়ে বলে আমি মাইশা,
দুদু মিয়া; আচ্ছা আমরা কি বন্ধ হতে পারি,
মাইশা;কেনো আমি আপনার সাথে বন্ধত্ব করতে যাবো,
দুদু মিয়া ঃ হে তাই তো,আমাল সাতে ক্যান বন্ধত্ব কলবেন,আমি তো বোকা হাবলা বলদ,কথা গুলো কান্নার শুরে বলল,
মাইশা; এ আল্লাহ আপনি কাঁদছেন কেনো,প্লিজ কাঁদবেন না,
--তো কি কলবো,আল্লাহ আমালে বোকা বানাইয়া পাঠাইছে দুনিয়ায়,
---আচ্ছা আচ্ছা,,,
মাইশা একটু ভেবে বলল,ভাবলো ও তো বোকাসোকা বন্ধু হলে সমস্যা নাই,
আচ্ছা আমরা ফ্রেন্ড কিন্ত কিছু শর্ত
আছে,,,
---হুম বলেন,
---আমাকে কখনো দেখতে চাইবেন না,
দুই আমাকে কখনো ছুয়া যাবে না,
---আচ্ছা আমি বোকা মানুষ ছুয়ে কি করব,
--আর তোমাকে আমি অন্য নামে ডাকবো, দুদু মিয়া কেমন নাম একটা, মানুষ হাসে,
--তুমি বললে বাপের নামসহ চেন্স করে ফেলবো,
--আরে বাবার নাম চেন্স করতে হবে না,
তাহলে আজ থেকে তোমার নাম হবে রিয়াদ,
--আচ্ছা ঠিক আছে,
মাইশা তখন বলল,আচ্ছা রিয়াদ,
--রিয়াদ কে,
--আরে তোমার নাম তো রিয়াদ,
--ওহওহ আমি তো রিয়াদ,
মাইশাঃ তুমি কি টাংগাইল এসপি পার্ক চিনো,
রিয়াদ; চিনমো না ক্যান, আমার বাসার কাছেই তো,
মাইশা; আমাকে নিয়ে যাবা, আমি কখনো কোন পার্কে যাইনি,আমার পার্ক দেখতে খুব ইচ্ছে,
রিয়াদ; হুম নিয়া যামু,
মাইশা; আচ্ছা আমাদের ক্লাসের হিয়ার ঘটনা টা জানো কি,
রিয়াদ;আমি অনেক কিছু জানি, বলা যাইবো না,
মাইশা; আমরা না ফ্রেন্ড, আর ফ্রেন্ড কে সব বলতে হয়,
রিয়াদ; তাই সব কইতে হয়,তাহলে ক্যাম্পাসে চল এখানে না,
তারপর দুজনে ক্যাম্পাসে যায়, তারপর সব মাইশা কে,
রিয়াদ আর মাইশা ক্যাম্পাসে ঝাল মুড়ি
খাচ্ছাছিলো এমন সময় কিছু ছেলে
মাইশা কে টিচ করে কিছু বাজে কথা বলে,বোরখা ধরে টানাটানি করে,
রিয়াদ কিছু বলতে গেলে মাইশা বাধা দেয়,,,
সেদিন ঐ ঘটনা ঐখানেই শেষ,
সারাদিন পর হিয়া ফোন টা হাতে নেয়,
আর অবাক করা কান্ড দেখে লিমনের
আইডি active দেখতে পায়,
হিয়া এটা কি ভাবে সম্ভব,লিমনের ফোন তো পাওয়া যাচ্ছিলো না শুনলাম,।তাহলে লিমন এই সব ভাইরাল করেনি
তাহলে কি আইডি হ্যাক করা হয়ছে,
এমন সময় লিমনের আইডি থেকে মেসেজ আসে,
--নিশ্চয়ই বুঝতে পারছো আমি লিমন না,
হিয়া; তাহলে কে আপনি,
--আমি ব্ল্যাক ভাইরাস,
কথা শুনে হিয়ার অন্তর টা কেপে উঠে,
হিয়া; আমাকে মেসেজ করছেন কেনো,
--হিসাব বোঝনাই তোমার উপরে যাওয়ার টাইম হয়ে গেছে,
হিয়া ভয়ে ভয়ে বলে আমি কি করছি,
--তুই একটা সমাজের ভাইরাস,৩টা ছেলের সাথে তোর শারীরিক সম্পর্ক হয়ছে,
(সব সময় গল্প গ্রুপে পোস্ট করা সম্ভব হয় না,তাই বাকি গল্প পেতে Add দিয়ে সাথে থাকুন)
হিয়া;আপনি জানলেন কি ভাবে,আর এই সব মিথ্যা কথা,
।
--এই সব মিথ্যা না,তাদের কাছ থেকে আবার ১লাখ করে টাকাও নিয়েছো,
একজন এই সব এর ভয়ে সুইসাইড করছে,
--এই সব মিথ্যা, আমি কিছু করি নাই,
তখন কিছু ভিডিও পাঠায়,আর সেই সব দেখে হিয়ার চোখ কপালে উঠে যায়।
তখন ব্ল্যাক ভাইরাস একটা ভয়েস মেসেজ দেয়,
বলে তোকে মরতে হবে,তুই যদি নিজে সুইসাইড না করিস, তোর সব ভিডিও ভাইরাল করব,তোর বাবা মায়ের ফোনে দেবো এই সব ভিডিও,
হিয়া; প্লিজ এই সব করবেন না,
--আমি যে কি করতে পারি তা তোর কল্পনার বাহিরে,তাই বলছি তুই সুইসাইড কর,
আর হাত কেটে লেখবি ব্লাক ভাইরাস,
এই সব করতে হবে,আমি ভিডিও কল দিবো তারপর,
আর হিয়া তাই করলো ব্ল্যাক ভাইরাস যা বলল,
পরেরদিন সকাল বেলা,,,,
হিয়ার লাশ ফ্যানে ঝুলছে আর হাত কেটে লেখা ব্ল্যাক ভাইরাস,
পুলিশ আসে আর ব্ল্যাক ভাইরাস লেখা দেখে চমকে যায়,
কারো মাথায় ঠোকে না, এই ব্ল্যাক ভাইরাস কে আসলে,
....
......
(চলবে)....
.....
=============== 0000 ============================
....
....
হিয়ার লাশ ফ্যানে ঝুলছে,পুলিশ কোন খুনির কোন
চিহ্ন পাচ্ছে না, পাচ্ছে না কোন প্রমাণ, হিয়ার ফোন
থেকে কিছু বের করবে তাও সম্ভব না,ফোনের
সিস্টেম পুরা খারাপ হয়ে গেছে,
হিয়ার সুইসাইডে কলেজে ভালই সারা
ফেলেছে,
পরেরদিন,,,,
কলেজের ক্যাম্পাসে বসে একা মাইশা,
রিয়াদ দৌড়ে এসে বলে,,,
রিয়াদ; মাইলা মাইলা শুনছো?
মাইশা; আমাকে কি নামে ডাকলে
--মাইলা, সরি মাইশা
---রিয়াদ তুমি না,কি বলব,
---রিয়াদ টা আবাল কে?
এই কথা শুনে মাইশা চোখ বড় বড়
করে তাকায়,
--ও মনে পড়ছে আমি তো রিয়াদ, নো দুদু মিয়া,
--হুম এবার বলো কি হয়েছে,
--ওই যে একটা মেয়ের কথা বলছিলাম না,
--কোন মেয়ের কথা বলছিলা(মাইশা)
--ঐ যে লেংটা হয়ে ফোনে কথা বলছিলো লিয়া,
--রিয়াদ ছি এই সব কি বলছো লিয়া না হিয়া,
--আলে যাই হোক, সে লেংটা মেয়েটা কাল রাতে
নাকি সুইসাইড করছে,
---ছি রিয়াদ তুমি আমার লে,,,, বলছো,
--তোমার ঐ সব খবর রাখার দরকার নাই,তুমি
বোকাসোকা দূরে দূরে থাকবা,
---আমি শুনলাম আর কি,,
--আমাকে না তোমার এসপি পার্কে নিয়ে যাওয়ার কথা
ছিলো,
--ওহ হে নিয়া যামু তো,কবে যাবা কও,
--কাল যাবো, তাহলে,
--আচ্ছা,
মাইশাঃ আচ্ছা রিয়াদ তোমার প্রেম করতে ইচ্ছে
করে না,
রিয়াদ এদিক ওদিক তাকিয়ে তুমি কারে কও,এখানে তো
আমি আর তুমি ছালা তো কেউ নাই,আর আমি তো
দু,,,বলে জিব্বা বের করে কামড় দিয়ে আমি তো
রিয়াদ, সলি সলি সলি,
মাইশা হাহাহহাহা হেসে বলে তোমার কথা এমন হয়
শুনে আমার হাসি পায়,
প্লিজ রাগ করো না,
রিয়াদ; না রাগ কইরা কি অইবো,
মাইশা একটা মেয়ে কে লক্ষ করে বলে
ঐ যে দেখছো একটা মেয়ে বসে আছে,
রিয়াদ মাথা নেরে হুম দেখছি তো,,
মাইশা; মেয়েটি দেখতে কেমন,
রিয়াদ ; মে,,,,,লা সুন্দর ম্যাইয়া,কিন্ত ম্যাইয়া টা মনে হয়
অনেক গরিব তাই না যাই,ম্যাইয়া টা রে ১০০টাকা দিয়ে
আসি,
মাইশা ; এই কই যাও, বসো বলছি মাইর একটাও মাটিতে
পড়বে না সব তোমার পিঠে পড়বে,
মাইশা; কি দেখে মনে হচ্ছে ও গরিব,
রিয়াদ; ওরে আল্লাহ দেখো না ছিড়া একটা প্যান্ট
পড়ে আছে, আর কোন ছেলের কাছ থেকে
একটা শার্ট ধার করে আনছে,
মাইশা; বলছে তোমাকে ও গরিব, ওর চেহারা
দেখছো ওকে দেখে গরিব মনে হয়,
রিয়াদ; আমি তো ঐডাই কই,আল্লাহ ওরে রুপ দিছে
কিন্ত টাকা পয়সা দেয় নাই আহারে,
যাই আমি ১০০টাকা দিয়া আসি আর বলে আসি আমার মাথায়
হাত দিয়া দোয়া কইরা দেন আপনার মতো যেনো
১০টা বউ পাই,বলে উঠে চলে গেলো,
মাইশা ডাকতে লাগলো এই যেয়ো না মারবে
কিন্ত,এই রিয়াদ,কিন্ত চলে গেলো,
একটু ওবাবা ওমা ওওঅঅ বাঁচাও গো,
৩মিনিট পর মাইশার সামনে এসে,
মাইলা আমারে ওরা মাইলা মাইলা শেষ কইরা ফালাইছে,,,
মাইশা রিয়াদের কথার আগা মাথা কিছুই বুঝতে পারলো না,
মাইশা; আমি আগেই বলছিলাম যেয়ো না মারবে,আমার
কথা তো শুনলা না,
আর ঐ ছিড়া প্যান্ট না ওটা ফ্যাশন বুঝলা,হাবলা একটা বলে
চলে গেলো,
ঐ মেয়েটির নাম নীলিমা,দিন নতুন বয়ফ্রেন্ড পাল্টায়,
কত ছেলের যে জীবন নস্ট করছে এই রুপ
দেখিয়ে তা বলার বাহিরে,
নীলিমা অনার্স ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী,
আর নীলিমা এমন একটি চক্র চালায়,সে চক্রে ৫জন
মেয়ে আছে,আর
সেটা হল ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক করে মিট
করতে আসা ছেলেদের কাছ থেকে টাকা
মোবাইল এই সব রেখে দিতো,
আমাদের দেশে এমন অনেক হয়, হয়তো লজ্জায়
অনেকে বলে না,
২দিন পর,,,,
মাইশা রিয়াদ কে বলল, আমি একটি ছেলে কে ভালবাসি,
তুমি আমার বন্ধু এটা তোমার জানার অধিকার আছে,
কথা টা শুনে রিয়াদের চোখ থেকে টুপ টুপ করে
পানি ঝরতে লাগলো,
মাইশা রিয়াদের চোখের দিকে তাকাতেই,,
মাইশা কিছু বলার আগেই রিয়াদ বলল দেখো তো
আমার চোখে
কি গেলো,
(সব সময় গল্প গ্রুপে পোস্ট করা সম্ভব হয় না,তাই
বাকি গল্প পেতে Add দিয়ে সাথে থাকুন)
মাইশা; তোমার দু চোখ দিয়ে পানি পড়ছে,
রিয়াদ একটু পর বলল বের হয়ে গেছে,
বুকে কস্ট মুখে হাসি নিয়ে বলল,
রিয়াদ তাহলে ট্রিট টা কবে দিচ্ছো,
মাইশা; খুব তারাতারি দিবো, কিন্ত অর সাথে না ঝগড়া
চলছে একটা বিষয় নিয়ে,
রিয়াদের আর সেদিন ক্লাস করলো না,,
শরীর খারাপ বলে চলে গেলো,
মাইশাও বাসায় চলে যায়,
বাসায় যেতেই মাইশার bf রাজ মেসেজ করলো,
তাহলে তুমি তোমার নুড পিক দিবা না,
মাইশা; এই সব দিলেই কি ভালবাসা প্রমান হয় বলো,
রাজ; আমি তো তোমাকে ভালবাসি,আর বিয়েই আমি
করব,আর ঐ সব তো আমার জন্যই।
মাইশা; সেটা বিয়ের পর এখন না,
প্লিজ রাজ এই সব এর জন্য আমাকে চাপ দিও না,
রাজ তখন বলে তুমি আমাকে ভালবাসো না,তুমি
আমাকে বিশ্বাস করো না,
আমাদের রিলেশনের ৭মাস হয়ে গেছে তার জন্য
আজ পর্যন্ত দেখা করনি,
মাইশা; তুমি ভুল বুঝতাছো, আমি তোমাকে অনেক
ভালবাসি রাজ,
রাজ; না আমি বিশ্বাস করি না,
কিন্ত এক সময় মাইশা রাজি হয়ে যায় নুড পিক দিতে,
কিন্ত আগে একটা শর্ত দেয়, মাইশা বলে আগে
তোমার নুড পিক দিতে হবে,
তার পর আমি দিবো,
রাজ অনেক খুশি মুহুর্তেই রাজ তার নুড পিক দেয়,
আর মাইশা কে বলে এখন তুমি তোমার নুড পিক
দেও,কিন্ত মাইশা,,,,,,,
...
...
...চলবে....