Titanic Theme Song • My Heart Will Go On • Celine Dion
Titanic Theme Song • My Heart Will Go On • Celine Dion-কি আমার আদরের দেবর টা কেমন দিলাম? আমার বোনের সাথে রুমডেট করবে, নাও এবার নিজে বাঁচো। (ভাবি ও নিঝুম খুবই খুশি)
- খুবই ভালো দিয়েছো ভাবি।সত্যি তোমার আর তোমার বোনের প্রশংসা করতে হয়। তোমাকে বড় বোনের মতো ভাবতাম। আর তুমি এই কাজের সাথে ছিলে, তাই না?( চোখের বাঁধ আজ ভেঙে গেছে)
-আরে এর মাষ্টার মাইন্ড তো আমি। তোকে সত্যি ভাইয়ের মতো দেখতাম।তবে আমার বোনকে এই প্রস্তাব দেওয়ার তোর সাহস হলো কিভাবে?
- আমি কি করছি যে এটা আমার সাথে করলে?
- কেন রে,আমার বোনকে রুমডেটর প্রস্তাব করছিস আর এখন কিছু বুঝতে পারছিস না।
- একদিন সত্যি টা জানতে পারবে,ভাবি।তবে, সেদিন আর এই অভি কে শত কথা বলেও মন গালাতে পারবে না।
-আচ্ছা, তা পরে দেখা যাবে।আগে নিজেকে তো দাঁড়াবার জায়গাটা কর।(আবারও ভাবি ও নিঝুম হাসতে লাগলো।)
আমি চোখ দুটোকে হাতের তালুর অপর পাশটা দিয়ে মুছে নিয়ে সোজা রেলস্টেশনে চলে গেলাম।পকেটে ছিল ১২০০ টাকা।
আমি অভি।এবার একাদশ শ্রেনিতে পড়ি।বাবা এলাকার চেয়ারম্যান। তাহলে বুঝতেই পারছেন পারিবারিক অবস্থা কেমন।আমরা দু' ভাই,মা- বাবা কে নিয়ে পরিবার।ভাইয়া কিছু দিন আগে বিয়ে করছে।সে একটা বিজনেস দেখে।
এবার একটু ফ্লাস বেকে যাই,
আমি আর আমার কয়েকজন বন্ধু মিলে কলেজের সামনে মজা করছিলাম। তখন একটা সুন্দরী মেয়ে পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তখন আমি মুখ দিয়ে সিস বাজিয়ে দিলাম। হঠাৎ একটা মেয়ে এসে, আমার গালে একটা বসিয়ে দিল।
আমিঃ (আমি চোখ বুঝে)আরেকটা দেও না,প্লিজ।
একথা শুনে মেয়েটি আবার ও বসিয়ে দিল।
আমিঃ ওফ এবার এতো জোরে। এতো শক্তি কই পাও গো।আমার আম্মুও তো এতে জোরে দিতে পারে না।
মেয়েটি রেগে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আর বললো, " আরেকটা দিব?"
আমিঃ এই আমার বউ হবে।তাহলে প্রতিদিন এমন সকাল বিকাল দিতে দিব।
এবার মেয়েটি কোন কথা না বলে একগাল রাগ নিয়ে সোজা কলেজের ভিতরে চলে গেল।
একটুপর আমরাও ক্লাসে চলে গেলাম। গিয়ে দেখি হায় হায় ওই মেয়েটাও আমাদের ক্লাসে। আমি একটু ভাব নিয়ে ক্লাসে ঢুকে তার পাশের একটা বেঞ্চে বসলাম। একটুপর স্যার ক্লাসে এসে মেয়েটিকে পরিচয় করিয়ে দেন।আর ওর নাম নিঝুুম।
একটা ক্লাস শেষে আমি মেয়েটিকে উদ্দেশ্য করে বললাম, "হায় আমি অভি?"
নিজুমঃ তো আমি কি করব?
আমিঃ ফ্রেন্ড?
নিঝুমঃ তোমার মতো লুচ্চা ছেলের সাথে। কখনো না।
আমার একটু খারাপ লাগল।ওর কথাটা শুনে, আর ভাবলাম এ কে এভাবে হবে না।অন্য পথ দেখতে হবে।
পরেরদিন, কলেজের সাবার সামনে হাটু গেরে নিঝুম কে বললাম, "নিঝুম, তোমাকে আমি প্রথম দেখায় মনে জায়গা করে ফেলেছি।প্লিজ, আমাকে ফিরিয়ে দিও না। "
এবার ও সবার সামনে এমন অবস্থা দেখে মাথা নিচু করে ক্লাসে চলে গেল।
আর আমি ভাবছি, দুর সালা এভাবে ও হলো না।এবার ক্লাসে গিয়ে বসলাম আর নিঝুমের দিকে মাঝে মাঝে তাকাচ্ছি। ও কেমন যেন বিরক্ত ফিল করছে।আর ও আমার গোষ্ঠী উদ্ধার করে চলছে।
এভাবে নিঝুম কে পটানোর জন্য অনেক ভাবে চেষ্টা করলাম।কিন্তু ফলাফল শুন্য মনে হচ্ছে এই মেয়ে শপথ করে পৃথিবীতে এসেছে। সালার কতো সুন্দরী মেয়ের প্রপোজ যে পেলাম একটাও কে পছন্দ হয়নি।তাই পাত্তা দেইনি।কিন্তু ওকে পছন্দ হলো এখন আমি নিজেই পাত্তা পাই না।
না, ওর পিছে আর পড়ে থাকা যাবে না।এখন আগের মতো হয়ে যাই। মানে সিংগল ই ভালো।
আজ ভাইয়ার জন্য মেয়ে দেখতে যাবে।অবশ্য মেয়ে দেখা ভাইয়া, আব্বু-আম্মুর শেষ। আজ শুধু আমাকে নিয়ে দেখিয়ে আনবে আর বিয়ের দিন ঠিক করা হবে।
চলে গেলাম নতুন ভাবিদের বাসায় ।একটুপর মেয়ে কে নিয়ে আসলো।তখন আমি ভাইয়ার হবু বউকে দেখে তো পুরাই ক্রাস।তখন মুখ ফসকে বেড়িয়ে গেল," আম্মু, আমি তাকে ভাবি বলে মানবো না।"
সবাই তো আমার কথা শুনে অবাক। হঠাৎ আম্মু বলে ওঠলো," মানে?"
আমিঃ আম্মু, তার সাথে আমাকে বিয়ে দিয়ে দাও।আর ভাইয়া কে আরেক টা দেখিয়ে বিয়ে করিয়ে দিও।
আমার কথা শুনে তো সবাই হাসতে হাসতে লুটিপুটি খাচ্ছে। এবার মা বলে ওঠলো," তোর কি মাথা খারাপ? "
আমিঃ না,আম্মু। আমি তো ঠিকই বলছি।
এবার আম্মু রেগে বললো, "অভি, তুই কিন্তু বেশি করে ফেলছিস? এখান থেকে তুই যা বলছি?
আমি আর কোন কথা না বলে সোজা মন খারাপ করে তাদের ছাদে চলে গেলাম। ভাইয়ার হবু বউ বলে উঠলো, আন্টি থাক না। ও তো ছোট কি বুঝে কি বলে ফেলেছে। আচ্ছা, আপনারা কথা বলুন, আমি ওকে দেখছি?
কিছুক্ষণ পর হবু ভাবি ছাদে এসে আমার গলায় হাত দেয়।আর বলতে শুরু করলো, " কি আমার কলিজা দেবর টা মন খারাপ করে আছে যে?"
আমি পিছনে তাকিয়ে দেখি ভাবি।ভাবি আমার কথা না শুনে আবার বলা শুরু করলো, " কি হলো আমাকে বলবে না?আরে পাগল তুমি তো এখনো ছোট। না হলে তোমাকেই আমি বিয়ে করতাম।"
একথা শুনে আমার সব মন খারাপ দুর হয়ে গেল। আর ভাবির দিকে ফিরে তাকালাম।
আমিঃ সত্যি বলছো।
ভাবিঃ হুম। তুমি কিন্তু অনেক কিউট।
আমিঃ আচ্ছা, আমাকে ভাইয়ার মতো আদর করবে তো?
ভাবিঃ দুর, তোমাকে আরও বেশি আদর কবর। তুমি তো তোমার ভাইয়ার থেকে বেশি স্মার্ট ।তাই তোমাকে বেশি করব।
আমি খুশি হয়ে ভাবিকে জড়িয়ে ধরলাম।
ভাবিঃ চল এবার, নিচে যাই।
এরপর ভাবি আমি নিচে চলে গেলাম। সবাই তো পুরাই অবাক বিশেষ করে আব্বু আম্মু। কারণ আমি একবার রেগে গেলে সহজে কেউ আমার অভিমান ভাংতে পারে না। বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হয়ে গেল। আগামী সপ্তাহে তাদের বিয়ে।
এক সপ্তাহ পর,বিয়ে বাড়ি গিয়ে তো আমি পুরাই থ।এখানে এসে দেখি নিঝুম।কি যে সুন্দর লাগছে।। একছের পরীর মতো।আমিও বেহায়ার মতো চলে গেলাম। বলা শুরু করলাম,"এই যে মিস এখানে কি করেন? "
নিঝুমঃ আমার বোনের বিয়ে আমি থাকবো না তো কে থাকবে?
আমিঃ ও ভাবি তোমার বোন! যাক ভালোই হলো তাহলে দুবোন একবাড়িতে থাকতে পারবে।
নিঝুমঃ আসসে,এই ছেচড়া দুবোন একবাড়ি মানে?
আমিঃ বুঝলা না, তুমি তো আমার বেয়ান।তোমাকে ও আমার করে নিব।
নিঝুমঃ ও তাহলে আপু তোর কথা বলেছে?
আমিঃ হ্যা গো, ভাইয়ের সালি আমার বউ।
নিঝুমঃ(রেগে গিয়ে) তোরে আজ জুতা পেটা করতাম।যদি আজ বিয়ে বাড়ি না হতো।
একথা বলে নিঝুম চলে যায়। আমিও মন খারাপ করে দাড়িয়ে রইলাম।
বিয়ের সকল কার্যক্রম শেষ। ভাবিকে নিয়ে বাড়ি চলে আসলাম। এরপর আরো কয়েকদিন কেটে গেল।ভাবি আমাকে খুবই ভালো বাসন। মনে হয় আমি তার আপন ভাই। এখন, একদিন সকালেও ভাবির হাতে ছাড়া খাই না।পড়াশোনা না করলে শাসন করেন।এভাবেই দিন চলছিল।
একদিন ভাবির বোন আমাদের বাসায় আসে।আমি তো মহা খুশি। এখন ভাবি আর আমি অনেকটা ফ্রি হয়ে গেছি। সব কিছু ভাবির সাথে শেয়ার করি।
কিছুক্ষণ পর সবাই খেতে বসলাম।নিঝুম আমার পাশে বসেছে। আমি ওর পায়ের ওপর পা রাখলে ও কেমন যেন রেগে বিড়বিড় করছে।একটু পর খাওয়া শেষ হয়ে গেলে আমি ছাদে চলে যাই।পিছনে মনে হলো কারো প্রবেশ।তখন তাকিয়ে দেখি, নিঝুম আমার পিছনে। আমি তো খুবই খুশি, আর তখনই নিঝুম বলতে লাগলো, "আপনার সমস্যা কি?" বলুন তো।
আমিঃ কই কিছু না তো।
নিঝুমঃ তাহলে খাবার টেবিলে ওই রকম করছিলেন কেন?
আমিঃ তাতে কি হয়েছে? আপনি তো আমার বেয়ান। একটু মজা করতেই পারি।তাই না?
নিঝুমঃ দেখুন আমার এ রকমটা একদম ভালো লাগে না।আর কখনও এ রকম করলে আমি কিন্তু আপনাদের বাসায় আর কখনো আসবো না।
আমিঃ আচ্ছা, আর কখনো হবে না।
এরপর চলে গেল।আমিও নিচে নেমে যাই তখন ভাবি বলে ওঠলো," অভি, ভাই আমার বিকেলে নিঝুম কে নিয়ে একটু ঘুরে আসিস?
আমিঃ ভাবি আমার কাজ আছে।
ভাবিঃ লক্ষ্মী ভাই আমার। একটু অন্তত আমার জন্য এটা কর।
আমি আর কিছু না ভেবে বললাম, "আচ্ছা ঠিকাছে। তাহলে আমার কপালে একটা চুমু খাও।"
কথাটা সবার সামনেই বললাম। তখন ভাবি বললো, " আচ্ছা, এটা কি আবার বলা লাগে, পাগল?"
তারপর ভাবি কপালে একটা চুমু দিয়ে দিল।আসলে ভাবি আমাকে অনেক কেয়ার করে তা সবাই জানে। তাই কেউ কিছু মনে করে না।
বিকেলে নিঝুম কে নিয়ে ঘুরতে বের হলাম। অখন নিঝুম আমার সাথে খুব ভালোভাবে কথা বলছে।আমিও ওর টোক পড়া গালের দিকে তাকিয়ে আছি। আর ওর প্রেমের গভীরতায় ডুবে যাচ্ছি।হঠাৎ, একটু পর একটা ছেলে এসে,নিঝুমের হাত ধরলো।
আমি এটা দেখে সহ্য করতে না পেরে ছেলেটির গালে বসিয়ে দিলাম। ওর মুখের এক কোন কেটে রক্ত জড়াছে।
নিঝুম আমাকে বলতে লাগলো, " ওই তুই ওকে মারলি কেন?"
আমিঃ ওকে মারলাম মানে? ওকে তোমার হাত ধরার সাহস কে দিল।
নিঝুমঃ ও আমার হাত ধরুক বা অন্যকিছু ধরুক তাতে তোর কি?
আমি তো ওর কথা শুনে অবাক। দেখলাম নিঝুম ছেলেটাকে ওঠিয়ে ওকে বিদায় দিল।এরপর ও একটা রিকশা নিয়ে কান্না করতে করতে চলে গেল। আমি তো ওর কান্ড দেখে অবাক। কিছুই বুঝলাম না কি হলো।
ও বাসায় ফিরলে কান্না করতে করতে রুমে চলে যায়। ভাবি ওকে দেখে পিছন থেকে ডাকলেও নিঝুম দাড়ায়নি।তখন নিঝুম বললো," আপু আমাকে একটু নিরবে থাকতে দিবে,প্লিজ? "
ভাবি আর ওকে কিছু বললো না।কিছুক্ষণ পর আমি বাসায় ফিরলে ভাবি জিজ্ঞেস করলো, " অভি,নিঝুমের কি হয়েছে?"
আমিঃ এখানে বসো ভাবি, আমি তোমায় সব বুঝিয়ে বলছি।
তারপর আমি ভাবি কে সব বুঝিয়ে বললাম।
ভাবিঃ আচ্ছা আমি দেখছি।
তারপর আমি আমার রুমে চলে গেলাম। ভাবি নিঝুমের রুমে চলে গেল।
ভাবি নিঝুমের রুমে গিয়ে দেখে নিঝুম কান্না করছে।তারপর ভাবি নিঝুম কে গিয়ে উঠিয়ে বলে, " বোন আমাকে বল।তোর কি হয়েছে?
নিঝুম কোন কথা বলছে না।
ভাবি আবার বলতে শুরু করলো, " আমি না তোর বোন। আমাকে না সব কিছু তুই শেয়ার করিস।
হঠাৎ নিঝুমের মাথায় একটা বুদ্ধি চাপে।
নিঝুমঃ (কান্না করে) আপু আমাকে বেশি বিশ্বাস কর না অভি কে?
ভাবিঃ কি বলিস তুই? আমার কাছে থেকেই তো তুই বড় হয়েছিস। আমি তোকে কখনও অবিশ্বাস করেছি বল।আর অভির সাথে তো কিছুদিন ধরে আছি। ও তোকে কিছু বলেছে নাকি বল।
নিঝুমঃ (পুরো কান্না করে ভাবিকে জড়িয়ে) জানো আপু,আজ অভি আমাকে ওর সাথে রুম ডেটের করার কথা বলে। তাই আমি কান্না করে বাসায় ফিরেছি।
ভাবি ওর কথা শুনে তো পুরাই অবাক। ভাবি বললো, " আজই আমি ওর ব্যবস্হা করব।দাঁড়া ওর এতোবড় সাহস যে,আমার বোনের সাথে এরকম কথা বলে।
নিঝুমঃ না আপু,ওকে ভালো করে শায়েস্তা করব। যাতে আর কোন মেয়ে কে ও কিছু বলতে না পারে।
ভাবিঃ তুই কি বলতে চাইছিস?
তারপর নিঝুম ভাবিকে সব বুঝিয়ে
বললো।
ভাবি ওর কথায় রাজি হয়ে যায়।
তারপর ভাবি আমার রুমে এসে বলে।অভি নিঝুম তোমাকে কিছু বলবে। তাই তোমাকে ওর রুমে যেতে বলছে।আমিও সরল মনে চলে গেলাম। নিঝুম দরজা টা আটকিয়ে দিয়ে। চিৎকার করতে শুরু করে। হেল্প হেল্প।।
কিছুক্ষণ পর সবাই দরজার সামনে চলে আসলো।নিঝুম দরজা খুলে দিয়ে সোজা ভাবির কাছে চলে গেল।আর কান্না করতে শুরু করল।আর বলা শুরু করলো, "আপু ও আমার সাথে খারাপ কিছু করতে চাইছিল।
ভাবিঃ ছি! অভি, তোমাকে আমি ভাইয়ের মতো ভাবছি আর তুমি আমার বোনের সাথে এটা করতে পারলে।
হঠাৎ ভাইয়া আর বাবা আমাকে ইচ্ছে মতো মারতে লাগলো। ভাইয়া বলতে লাগলো," তোর কিভাবে সাহস হলো?বাবা ভাইয়ের টাকা নিয়ে বাহিরে গুন্ডামী আর মেয়েদের সাথে নষ্টামি করছ।নিজে তো কোন কিছু করার ক্ষমতা নেই।
যেই আমি কিছু বলতে যাব তখনই
বাবাঃ বের হয়ে যা আমার বাড়ি থেকে। তোর মতো ছেলেকে আমি নিজের ছেলে বলে মানি না।আজ থেকে আমার শুধু এক ছেলে।
আমিঃ আম্মু তুমি ও কি আমায় বিশ্বাস কর না।
আম্মু এবার আমার গালে একটা বসিয়ে বললো, " বের হ আমার বাসা থেকে। তোর মুখ দেখতে চাইনা।"
আমার আর কিছু বলার রইল না।সোজা বাড়ি থেকে বের হয়ে আসবো তখন ভাবি আর নিঝুম আমার সাথে আসল।তখন ভাবি আমাকে ওই কথা গুলো বলা শুরু করে যা আপনারা শুরু থেকেই জানেন।