সৌদি ও ডুবাইয়ের টপ ধনীদের কিছু কাজকর্ম || The Richest People of Saudi Ar...

সৌদি ও ডুবাইয়ের টপ ধনীদের কিছু কাজকর্ম || The Richest People of Saudi Ar...

...
"তুমি শ্রাবণিকে দেখানোর জন্য আমার সাথে থাকছো তাইনা?"
.
জান্নাত আপুর কথা শুনে একটু হাসলাম। উনি আমার থেকে উত্তর শোনার ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে। আমার সেদিকে কোনো মনোযোগ নেই। হুট করে ফোন বেঁজে ওঠে আমার। আমার এসিসট্যান্ট বললো..
- স্যার, এবার রেডি হোন, আপনার ছুটির দিন চলে আসছে। রাষ্ট্রপতির পছন্দের একজন হওয়াতে আপনাকে এ অবদি কোনো কিছুতেই না করেনি। আপনি এখনো অবদি নিজের পদে চাকরি নিলেও জয়েন করেন নি। আপনাকে কেউ চেনে না এখনো। রাষ্ট্রপতিকে কি ভুলভাল বুঝিয়ে ছুটি কাটিয়েছেন সেটা আপনিই জানেন। তবে সময় শেষ। ১৫ দিন আছে আর। বিজনেস ইস্যু নিয়ে ছুটি নিয়েছিলেন জেনেছিলাম। এখন সেটাও খারিস করা হচ্ছে। সো রেডি থাকেন।
- রাষ্ট্রপতিকে ম্যানেজ করে নেবো। আর আমার পদে যিনি আগে ছিল, তাকে রাষ্ট্রপতিকে বলে আরো কয়েকমাস রেখেছি। তিনিও খুশি। আর রাষ্ট্রপতি এমনি এমনি পছন্দ করে না, তার উপকার করেছিলাম লন্ডনে। সে জন্য বুজছো? রাখো ফোন।
- ওকে স্যার, টেক কেয়ার।
.
আমি ফোনে কথাবলা শেষ করে জান্নাত আপুর দিকে তাকালাম। আপু আমার দিকে গম্ভীর এক চাহনি দিয়ে চেয়ে রইলেন। আমি বললাম..
- কি হয়েছে?
- এই তুমি কি করো বলোতো?
- মানে?
- রাষ্ট্রপতি, চাকরি, পছন্দ বুঝলাম না।
- ওহ এই ব্যাপার? সময় হলে জানতে পারবেন।
- আসলে তুমি কে বলো এখনি?
- বলবো বলবো ধৈর্য ধরুন।
- না এখনি বলো।
- পরে।
- না এখনি, না হলে আমি সবাইকে বলে দিবো।
- কি বলবেন?
- বলবো, তুমি রহস্যময় একজন।
- না বলবেন না।
- বলবো। (উনি হেঁটে যেতে থাকে)
- শুনুন। (পিছন থেকে হাত ধরলাম)
- হাত ছাঁড়ো।
- আগে কথা তো শুনুন।
- তাহলে বলো, কে তুমি?
- বলতো, সময় মত।
- আমি এখনি জানতে চাই।
কথা বলতে বলতে আমি ওনার দিকে এগিয়ে যায়। মুখের কাছে মুখ নিয়ে আসি। বুঝতেই পারিনি দুজনে এতটা কাছে চলে এসেছি। তবে জান্নাত আপু অনবরত কথা বলেই যাচ্ছে। জানতে চাচ্ছে বারবার, কে আমি। না বললে তিনি সবাইকে বলে দেওয়ার কথাও বলছেন। আমি আরো কাছে এগিয়ে গেলাম। জান্নাত আপুর নাকের সাথে আমার নাকের স্পর্শ হলো। তবুও তিনি থামছেন না। ওনার নিঃশ্বাসের স্পর্শ আমার মুখের উপর পড়ছে।
জানিনা কি মনে হল আমার, এমন একটা কাজ করবো কখনো ভাবেও পারিনি। তবে তাকে থামানোর জন্য হয়ত এটাই একমাত্র উপায় ছিল। অন্যকোনো উপায় না পেয়ে ওনার ঠোঁটের সাথে নিজের ঠোঁট মিশিয়ে কয়েক সেকেন্ড পর ছেঁড়ে দিয়ে, এক হাত দূরে এসে দাঁড়ালাম। জান্নাত আপু মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ঠোঁটে হাত রেখে স্থির দাঁড়িয়ে আছে। আমি বললাম..
- এবার যান বলেন, কি বলবেন সবাইকে?
জান্নাত আপু আমার দিকে একবার তাকালো। তারপর দৌড়ে অন্য কোণাতে চলে গেলো উনি। আমি আমাদের সেই পুরোনো বসার জায়গাতে এসে বসলাম। এখানে শ্রাবণি এসে বসতো। আমি বসতাম এখানে। দুজনে দুজনার দিকে তাকিয় গল্প করতাম। ছোট বেলাতেই ভাবতাম, আমাদের সম্পর্কটে কখনো শেষ হবে না। অথচ... ভাবতেই ফোন বাজতে থাকে আমার। স্ক্রীনে তাকিয়ে দেখি ডিসির ফোন। মানে রিদিতার আব্বুর।
- স্যার, কালকে আমার ছোট ছেলের জন্ম দিন। যদি কালকে আসতেন। আমি গাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছি।
- উহু গাড়ি পাঠানোর দরকার নেই। আমি আসবো।
- সত্যিই স্যার?
- হুম।
.
রিদিতার সাথে আবার দেখা হবে। মেয়েটাকে বড়সড় সারপ্রাইজ দেওয়া যাবে। রিফাত আসলো আমার পাশে। আমার দিকে কড়া দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ও। বুঝলাম আমার থিওরী অফ লাভ প্রচুর পরিমানে ফ্লপ খাইছে। ভয়ে ওর থেকে চলে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছি। রিফাত বললো..
- হারামি, তোকে খুন করতে ইচ্ছে করছে।
- সরি দোস্ত, আসলে আমি..
- তুই আগে কেনো টিপস দিস নাই। মেয়ে তো আমার উপর ক্রাশ। এখন সাপোর্ট দরকার। তোকে ভুলতে শুরু করছে। আর তাকে বুঝিয়েছি, যে হবার নয় তাকে চেয়ে লাভও নেই। ভালোবাসা থাকলে হয়না, তাকে পাওয়ার জন্য ভাগ্যটাও দরকার।
- তুই তো দেখি আমার থেকেও জিনিয়াস। (আমি)
- নাম্বার নিয়ে এসেছি। এখন কেবল প্রেমের দিকে ধাবিত হওয়া।
- বুঝলাম, আচ্ছা কালকে আমার সাথে একজায়গায় যাবি।
- কোথায়?
- গেলেই বুঝতে পারবি। আরেকটা কথা, আমি ১৫ দিন পর চলে যাবো এখান থেকে। ঢাকাতেই এখন সবকিছু।
- মানে কি?
- মানে বুঝে কাজ নাই, চল বাড়িতে যায়।
.
রিফাত সবাইকে গাড়িতে চলে যাওয়ার জন্য বললো। আমি ঝরণা দেখার জন্য একটু উঁচু জায়গাতে যেয়ে বসলাম। এক এক করে সবাই নিচের দিকে চলে যাচ্ছে। আমি একটা সিগারেট বের করে আগুন জ্বালাতে যাবো তখনি শুনতে পেলাম..
- নিলয়, আমার সাথে কেনো কথা বলছো না।
- ওহ শ্রাবণি আপু? জ্বি বলুন, কিছু বলবেন?
- তুমি এভাবে কেনো কথা বলছো।
- সরি। কিভাবে বলছি?
- নিলয় প্লিজ.. আমার সাথে অর্কের কোনো রিলেশন নেই।
- তো?
- তো মানে কি? তুমি এটা নিয়ে কেনো রাগ দেখাচ্ছো?
- হিহিহিহি,, সরি মিস শ্রাবণি, আপনি ভূল বুঝছেন, আপনার উপর আমি কেনো রাগ করবো? আর তাছাড়া রাগ দেখানোর জন্য তো অধিকার লাগে।
- অধিকার নেই?
- সেটা তো দেখছি না। দেরি হয়ে যাচ্ছে, চলুন বাসায় যায়।
.
কথাটা বলেই আমি বসা থেকে উঠে দাঁড়ালাম। একপা এগুতেই শুনতে পেলাম..
- নিলয়, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আর এটাই অধিকার।
- শুনতে পায়নি। কি যেন বললেন।
- আমি তোমাকে ভালোবাসি।
প্রচন্ড জোরে চিৎকার দিয়ে বললো শ্রাবণি কথাটা। ওখানে থাকা সব লোকজন যেন কিছুক্ষনের জন্য ফ্রিজ হয়ে যায়। অর্ক, জান্নাত, রিফাত, জারা, অর্পি তখনো সেখানে ছিল। ওরা সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। শ্রাবণি এভাবে ভালোবাসি বলবে আমি কখনো বুঝতেই পারিনি।
- সরি শ্রাবণি, আমি না ব্যাপারটা বুঝতে পারছি না।
- মানে কি নিলয়? আমি তোমাকে ভালোবাসি বলার পর কি বুঝতে পারছো না।
- তুমি না আবিরকে ভালোবাসতে? এখন আমাকে ভালোবাসি বললা, কেনো?
- ভালোবাসা পরিবর্তনশীল নিলয়। আবিরের সাথে আমার ছোট বেলার স্মৃতি জড়িয়ে ছিল। সেখানে না বুঝে ভুল করেছিলাম।
- হিহিহিহি,,, ভূল? কিন্তু আবিরের সে ভালোবাসা পরিবর্তন হয়নি। আর এই ভুলের জন্যই তো সে চলে গিয়েছিল, পরিবার থেকে দুরে ছিল, পরিবারের সম্মান, পরিবারের ভালোবাসা সব সে নষ্ট করেছে, শুধু তোমার জন্য।
- নিলয় প্লিজ, আমি আবিরকে ভূলিনি, কিন্তু তার প্রতি অনুভুতিগুলো নষ্ট হয়ে গেছে।
- বাহ... কি দারুন বললে। এত সহজেই সব যদি নষ্ট হতো তাহলে কতই না ভালো হতো।
- আমি এত কিছু শুনতে চাইনা, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আর তুমি সেটা গ্রহন করবে কিনা বলো।
- পারবে, তুমি তোমার পরিবারের সামনে আমাকে ভালোবাসি বলতে, এভাবে চাইতে? পারবে না। ছোট বেলাতে যেটা হয়েছিল, সেখানে মেয়ের থেকে ছেলে মানে আবিরের পরিবারের সম্মানটা কেনো নষ্ট হয়েছিল জানো? কারন তখন তোমাদের মত টাকা, প্রভাব আর ক্ষমতা ছিল না। শুনোনি, বড়লোকের মেয়ে পালিয়ে গেলে হয় তা কিডন্যাপ হয়েছে, আর গরীবের মেয়ে কিডন্যাপ হলে, হয় সেটা কারো সাথে পালিয়ে গেছে। দোষটা ছিল আবিরের, এটাই প্রমান করেছিলে তুমি আর তোমার বাবা। ছেলেটা সেদিন নীরবে কেঁদেছিল, কেবল তোমার মুখের দিকেই তাকিয়ে শব্দহীন কান্না করেছিল, আর তুমি বারবার বলেছিলে.. "আবির আমাকে রোজ রাস্তায় জ্বালাতন করতো, বারণ করলেও আবির শুনতো না, সে প্রলোভন দেখিয়ে তোমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছিল।" তোমার ঐ মিথ্যেটাই ছিল সেদিনের সবচাইতে বড় ভুল। ভালোবাসাটা ভুল ছিল না।
একটা হাতে তালি যেমন বাজে না। তেমনি কোনো রিলেশনে সব দোষ ছেলের থাকে না। পার্কের চিপাতে প্রতিনিয়ত শত শত মেয়ে তার সতীর্ত বিষার্জন দেয়, কেবল একা ছেলের দোষে না। সেখানে মেয়েরও মত থাকে। মেয়ে যদি না করে তবে সে ছেলে কখনো সাহস পাবে না মেয়ের গায়ে হাত দেওয়ার। কিন্তু তোমার আর আবিরের মধ্যে যা হয়েছিল তার সব দোষ আবিরের উপরে দিয়েছিলে।
যেন সেই তোমাকে রাজি করিয়েছে ভালোবাসতে, হিহিহি, সে বলেছিল আর অমনি তুমি রাজি হয়েছিল, তাহলে তোমারও মত ছিল আবিরকে ভালোবাসার। তিনমাস ভালোবাসা দেখিয়ে যখন পরিস্থিতি তোমাদের দুজনকে সবার সামনে আনে। তখন তুমি নিজেই আবিরের উপর দোষ চাপিয়েছিলে। তোমার বাবার কোমর থেকে খোলা শক্ত বেল্টের দাগ আবির সবসময় বহন করে বেড়ায়। তিনটে দাগ এখনো তার আছে। আর তুমি বলছো তাকে ভালোবাসো না। গুড। মেনে নিলাম ভালোবাসা পরিবর্তন শীল, আবিরকে নয়, তুমি নিলয়কে ভালোবাসো। ওকে, সেদিন আবিরকে দোষারপ করেছিলে, এখন পারবে তুমি সেইভাবে সবার সামনে দাঁড়িয়ে আমাকে ভালোবাসি বলতে? পারবে না, পরিস্থিতি আবারো তোমাকে সবার সামনে আনবে। আবিরের জায়গায় থাকবে নিলয়। তখনো তুমি বলবে, নিলয় আমাকে জ্বালাতো, ফাঁসিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছে। সব দোষ নিলয়ের।
.
আর কিছু না বলে সেখান থেকে চলে আসলাম। অর্কের সামনে এসে একবার তাকিয়ে বললাম..
- নিলয় চ্যালেন্জ করে না, যখন করে তখন তা জিতেই ছাঁড়ে। ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরীতে চ্যালেন্জের দরকার পড়ে না। ভালোবাসা যতটা আছে ততটাই দেখানো দরকার। অভিনয়ের ভালোবাসাতে কখনো ঝগড়া হয়না। সত্যিকারের ভালোবাসায় ঝগড়া হয় বারবার, ব্রেক হয় বারবার, কিন্তু বেলা শেষে আবারো একসাথে থাকার বাসনায় দুজনেই ব্যাকুল হয়। তুমি চাইলেই সেই ব্যাকুলতা প্রথম থেকে দেখাতে পারতে।
.
গাড়িতে এসে বসলাম। সবাই যে যার মত আগের জায়গাতে এসে বসেছে। এবার আয়নার দিকে তাকাতে ইচ্ছে করছে না আমার। জানালার সাথে একটু হেলান দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি। গাড়ি চলছে তার গতিতে.. কেনো জানিনা হয়ত গাড়ির ড্রাইভার আমার মনের অবস্থাটা বুঝতে পেরেছে। তাই মিউজিক প্লেতে বাজছে.
.
"দার্দে দো লুকে কাম হো জায়ে..
মে অর তুম গার, হাম হো জাতে..
কিতনে হাসি আলাম হো জাতে...
মে অর তুম গার, হাম হো জাতে..
.
নরম সুরে স্যাড সং। ভিতরের লুকিং গ্লাসে তাকালাম। শ্রাবণির চোখে পানি। কিন্তু অবাক হলাম, শ্রাবণির পিছনের সারিতে বসে থাকা আরো একটি মেয়ের দিকে তাকিয়ে। আর সেও কাঁদছে। কেউ না দেখলেও, গাড়ির মধ্যে থাকা হলদে আলোতে সেই চোখের পানি স্পষ্ট আমি টের পাচ্ছি। আর সেটা হল জান্নাত আপুর চোখের পানি। তিনি কেনো কাঁদছেন? আমার ওমন ব্যবহারে? তাকে থামানোর জন্য চুমু দিয়েছিলাম সে জন্য? ধুর সরিও বলিনি। আমি না আসলেই গাধা।
.
বাড়িতে আসলাম। রাত দশটা বেজে গেছে। গাড়ি থেকে সবার শেষে নামলাম। বাড়ির মধ্যে যাবো, সে সময় রিফাত বললো..
- আবির, তুই তো আজকে সবটা সত্য বলতে পারতি, শ্রাবণিকে।
- কোনটা?
- তুই যে আবির, এটা।
- হিহিহি.. দেখলিনা, সে আবিরকে ভালোবাসে না। সে ভালোবাসে নিলয়কে। সত্য বলে কি হবে?
- আচ্ছা, যদি শ্রাবণি সত্যি সবার সামনে তোকে চাই, তখন কি করবি?
- সে চাইবে না।
- যদি চাই?
- জানিনা। বাদ দে। ভালো লাগছে না। কালকে আমার সাথে বিকেলের সময় একজায়গাতে যাবি।
- হুম, ওকে থাক, বাড়িতে গেলাম।
.
অন্যদিন শ্রাবণি আমাদের বাড়িতেই থাকতো। আজকে সে ওদের বাড়িতে চলে গেছে গাড়ি থেকে নেমে। যাক ভালোই হয়েছে। না হলে বারবার শ্রাবণির দিকে তাকাতে হতো। রুমে বসে আছি। মা ডাকলো খাবারের জন্য। আমি খাবো না বলে জানিয়ে দিলাম। কিছু ভালো লাগছে না আমার।
বিছানায় হেলান দিয়ে বসে আছি। আজকে শ্রাবণির উপর জমে থাকা রাগ কিছুটা প্রকাশ করলাম। আজকে কিছুটা শান্তি পাচ্ছি রাগ প্রকাশে। কানে হেডফোন গুজতে যাবো দরজাতে টোকা দেওয়ার শব্দ শুনলাম। তাকিয়ে দেখি অর্ক দাঁড়িয়ে আছে। আমি ভিতরে আসতে বলি।
- বস, তুমি অনেক জিনিয়াস। (অর্ক)
- হিহিহি, কি বলবে সেটা বলো।
- শ্রাবু তোমাকে ভালোবাসে সেটা এখন জেনে গিয়েছি। কিন্তু আমি শ্রাবণিকে ভালোবাসি।
- হুমম।
- আর অর্ক যদি কোনো জিনিস চাই, সেটা সে পেয়েই তবে ছাঁড়ে।
- হিহিহি.. বুঝলাম।
- না বোঝোনি, আমি শ্রাবণিকে ভালোবাসি। আর আমি তাকেই চাই। তাকে প্রপোজ করবো, সে রাজি হলে ভালো। না হলে..
- না হলে কি?
- নাহলে জোর করে তাকে উঠিয়ে নিয়ে বিয়ে করবো না। এক রাত কাটিয়ে আবার ফিরিয়ে দেবো। আমি খেতে পারলে কাউকেও খেতে দেবো না। তুমি পাক্কা একজন খেলোয়াড়, তাই তোমাকে সরাসরি জানিয়ে রাখলাম। তোমার সাখে খেলতে মজা পাবো তাই। ভাবছো আমি কিভাবে এত সাহস পাচ্ছি? জানবে পরে। তবে এটাই সত্য, শ্রাবণিকে আমি আমার করে নেবোই। আর আমার সামনে যে বাধা হয়ে আসবে তাকেই মেরে ফেলবো, হোক সেটা শ্রাবণির বাবা কিংবা তুমি।
- আচ্ছা, চ্যালেন্জ গ্রহন করলাম আবার। তাকে পটাতে টিপস লাগলে বইলো, আমি হেল্প করবো।
- মজা নিচ্ছো বস, মাঠেই দেখা হবে। শুভ রাত্রি। ওহ আরেকটা কথা, তোমাকে এখান থেকে তাঁড়ানোর ব্যবস্থাটা করেই ফেলেছি। জানো সেটা কি?
- কি?
- তুমি যে জান্নাত আপুকে কিস বরেছিলে, সেটা ভিডিও করেছি। তোমাদেরকে কেও দেখছিল না, আমিই দেখছিলাম। এবার সবাইকে সেটা দেখাতে হবে। শুভ রাত্রি বস।
.
এই অর্ককে যতটা বোকা ভেবেছিলাম সে অতটাও বোকা না। ঠিক সময়ে দাবার গুটি চাল দিয়ে দিল। ওকে, এন বি ডি (নো বিগ ডিল)।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url