Dare to Ask, Dr Zakir Naik, Question and Answer, New Islamic English Le...

Dare to Ask, Dr Zakir Naik, Question and Answer, New Islamic English Le...

“ শোনো জান আমার কিন্তু একটা মেয়ে বেবি চাই, একটা মেয়ে বেবি দিবে বলো!” কথাগুলো বলে আমার উত্তর শুনতে কৌতূহল নিয়ে আমার দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছে তৃষা!
মনে মনে বললাম,– ভাইরে আগে বিবাহ কার্য সম্পাদন হোক, পরে মেয়ে ছেলে সব দিমুনি।
আমাকে চুপচাপ দেখে চোখদুটো রাজহাঁসের ডিমের মতো করে তৃষা বললো,– কি কথা বের হচ্ছে না যে, ব্যাপার কি!
আমি দাঁত কটমট করে মিনমিন করে বললাম,– বিয়েডা হইতে দে, তারপর কতকিছু বের হয় দেখবি।
তৃষা আবার বললো,– আমার একটা কিউট বেবি চাই ই চাই, দিবি বল! এই বলনা, বেবি দিবি।
মেজাজটা হাল্কার উপ্রে মোটামুটি গরম হয়ে উঠলো, তৃষার হাত ধরে টেনে ওর রুমে নিয়ে এসে দরজা বন্ধ করে বললাম,– চল রেডি হ।
তৃষা ভীষণ অবাক হয়ে বললো,– মানে!
: মানে আবার কি, বেবি দিমু রেডি হ।
: মানে!
: মানের গুল্লি মারি, তোকে বেবি দেবো সেই কার্যক্রম চলবে!
তৃষা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো– কিসব বলছো!
হাল্কা টাইপের ধমক দিয়ে বললাম,– বকবক কম কর, খোল আগে।
তৃষা আরও অবাক হয়ে বললো,– খুলবো মানে! কি অসভ্যের মতো কথা!
: আরে মাথা মোটা পুরোটা না শুনেই! বলছি কান খোল, ভালো করে শোন আগে বিয়ে তারপর বেবি, সারাক্ষণ নির্লজ্জের মতো বেবি বেবি করস।
: কিন্তু শোননা আমার বেবি খুব ভালো লাগে, আমার একটা বেবি লাগবেই!
: আচ্ছা তাহলে শুয়ে পড়!
: শুয়ে পড়বো মানে!
: মানে দিবো তোর কানে, শুয়ে কিছুক্ষণ ঘুমা, এসব চিন্তাভাবনা না করে।
: না, বেবির কথা ভাবতে আমার ভীষণ ভাল্লাগে।
: ঠাস করে কানের নিচে হাল্কা করে একটা দিলে বেবির শখ বেরিয়ে যাবে।
: এই কি, তুমি আমায় মারবে! এ্যা-হ্যা-হ্যা-হ্যা।
আমি চটজলদি তৃষার গালে একটা কিস দিয়ে বললাম,– কানের নিচে মানে গালে, গালে ঠাস করে একটা চুমু মারার কথা বলসি সোনা, এতে কান্নার কি আছে!
কান্নার ভং বাদ দিয়ে হাসিমুখে তৃষা বললো,– ও তাইলে ঠিক আছে।
তিনতলার তিনটা ফ্ল্যাটের একটায় আমরা থাকি, একটায় তৃষারা এবং অন্যটায় ব্যাংক ম্যানেজার বদরুল হুদা আবীর ও তার স্ত্রী আফরিন নেহা ভাবী থাকেন।
তৃষাদের ফ্ল্যাটে আমাদের অবাধ যাতায়াত, তৃষার মায়ায় জড়ানোর পরে তৃষার আম্মু আব্বুকেও মায়ায় ফেলে তৃষার সাথে দেখা করার বিজি রাস্তা ইজি করে নিয়েছি অনেক আগেই।
তৃষাদের বাসায় আমরা যাই, নেহা ভাবীও যায়। আবার আমাদের বাসায় তৃষারা আসে, নেহা ভাবীও আসে। কিন্তু নেহা ভাবীর ফ্ল্যাটে আমরা তো দূর, একটা তেলাপোকাও উঁকি মারতে সাহস পায়না।
বদরুল হুদা আবীর ভাই বাসায় আসামাত্র সেই যে দরজা বন্ধ হয়, আবার আবীর ভাই সকালে ব্যাঙ্কে যাবার সময় একবার দরজা খোলে। তাদের ফ্ল্যাটে তারা লুঙ্গি খুলে মেক্সি পরে সেক্সি ড্যান্স করুক, তাতে আমার কি! তাই ওসব নিয়ে ভাবি না।
তৃষাদের বাসার ড্রইং রুমের দরজা দিয়ে বের হবো এমন সময় নেহা ভাবীও দরজার এসে উপস্থিত।
নেহা ভাবীর সম্পর্কে বলতে গেলে সে ভীষণ সুন্দরী, ভীষণ সুন্দরী বললেও ভুল হবে, সে মারাত্মক সুন্দরী। যেসব অবিবাহিত পোলাপাইনদের বিবাহিত মহিলাদের উপ্রে ক্রাশ খবার বদ অভ্যাস আছে, তারা ভাত না খেয়ে থাকতে পারলেও নেহা ভাবীর উপ্রে ক্রাশ না খেয়ে থাকতে পারবেনা এবিষয়ে আমি ৯৯.৯% শিওর।
ভাবীর গাল দুটো চাপা অভিমান ও রাগে লাল হয়ে আছে বোধহয়!
নিশ্চিত হবার জন্য বললাম,– ভাবী গালে কি মশায় কামড় দিছে?!
ভাবী অভিমানী সুরে বললো,– আরে ধুর অকর্মা একটা!
আমি অবাক হয়ে বললাম,– একি! আমি আবার কি করলাম ভাবী!
ভাবী রাগে গজগজ করে বললো,– আরে তুই না, তোর ভাই পারেনা...
চলবে...
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url