Why Teens fall in love? by Dr. Zakir Naik
Why Teens fall in love? by Dr. Zakir Naik
নতুন ম্যাম আসবে আবার সংস্কৃতীক অনুষ্ঠান ও হবে আমরা অবশ্যই রাজী স্যার।
তো স্যার আমাকে captain করে আমাদের কয়েক জন কে দিয়ে একটা টিম বানিয়ে দিলো এবং অনুষ্ঠানের সব দায়িত্ব দেওয়া হলো।
তো আজকের মতো কলেজে ছুটি হয়ে গেলো,সবাই চলে যাচ্ছে।
আমিও বন্ধুদের নিয়ে রওনা দিলাম পিছনে ফিরে লক্ষ করলাম অথী তার বন্ধুদের সাথে হেসে হেসে কথা বলতে বলতে কলেজ হতে বের হচ্ছে।
কি যে ভালো লাগে হাসি খুশি মুখ দেখে,হাসিতে মনে হয় যেনো মুক্ত ঝড়ে, টোল পড়া গালে হাসি কেমন তাতো আপনারা জানেনই, আমি ও মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে দেখি আর চিন্তা করি আজ যদি বিরক্ত করা না ছাড়তাম তাহলে হয়তো তার এমন হাসি খুশি মুখটা দেখতে পেতাম না।
কিন্তু হঠাৎ আমাকে দেখে ঘাবড়ে গিয়ে কথা বন্ধ করে দিলো।হয়তো ভেবে ছিলো আজো তাকে বিরক্ত করবো।
আমিও সাথে সাথে অন্য দিকে ঘুরে গেলাম আড়ঁ চোখে দেখলাম মুখে একরাশ বিরক্তির চাপ নিয়ে কেটে পরেছে তাড়াতাড়ি।
আমিও চলে আসলাম বাসায়।
ক্রিং ক্রিং ক্রিং ক্রিং! উহ নো! ঘড়ি টাও মনে হয় আজ কাল গাজা খায়।তা না হলে কি আর এতো সকাল সকাল এলার্ম দেই?
এলার্ম বন্ধ করতেই অমনি মোবাইলের রিং বাজা শুরু রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে.... হ্যালো অনয়!
অয়ন : গুড মর্নিং গুড মর্নিং! আর আমি অনয় না অয়ন।
ঐ একই কথা! যেটা অনয় সেটাই অয়ন।
অয়ন : হুম! কে আপনি?
আরে চিনতে পারো নি আমি অনু,,
অয়ন : কোন অনু?
অনু : ঐ যে রাকিব স্যার....!
অয়ন : ও আচ্ছা তুমি! তা আমার নাম্বার কই পেলে আর এতো সকালে কেনো কল দিয়েছো?
অনু : কি?এখন সকাল?কয়টা বাজে দেখছো?তাড়াতাড়ি এসো সবাই অপেক্ষা করছে বলে রেখে দিলো।
অয়ন : তো ঘড়ি দেখে হ্যাং হয়ে গেছে আর মাত্র ১৩ মিনিট বাকি! তাড়াতাড়ি ওয়াশ হয়ে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে নাস্তা না করেই রওনা দিল।
আম্মু আর এনা তো এসব দেখে ১১০০০ ভোল্টের শক খেলো।
হয়তো ভাবছে এটা কি করে সম্ভব তা ও আমার ছেলে..?
যাই হোক গন্তব্যে এসে পৌঁছলো।
অয়ন : ঘড়ি দেখে বুঝল অলরেডি ৭ মিনিট লেইট।OMG! স্যার কে গিয়ে কি জবাব দিবে চিন্তা করতে করতে একজনের ডাকে ঘোড় কাটলো তাকিয়ে দেখে অনু
অনু : কি মিঃ এতো লেইট কেনো?
অয়ন : আসলে সকাল বেলা খুব ঘুৃম পেয়ে ছিলো।
অনু : আচ্ছা চলো সবাই ওয়েট করছে।
অয়ন : ওকে চলো... স্যার আসেনি?
অনু : না, মাহীদ কে কল দিয়ে বল্লো আসতে ২০ মিনিট লেইট হবে।
অয়ন : ওহ গড! বাঁচা গেলো তাহলে।দুজনে কথা বলতে বলতে ক্লাস রুমে ঢুকে পরলাম।
রুমের ভিতরে গিয়ে আমি যা দেখলাম! OMG! এটা দেখার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না।
অয়ন : আরে অথী তুমি এখানে?
অথী : আমি এখানে মানে?(রাগি স্বরে)
তুই এখানে কি করিস?
অয়ন : আমিতো এখানে পড়তে আসলাম।
তুমি ও এখানে পড়ো তাহলে?
অথী : পড়তে আসছিস না আমাকে বিরক্ত করতে আসছিস আমি খুব ভালো করে জানি, অসভ্য,ইতর কোথাকার,তুর কারণে আমি কলেজে কোনো স্যার এর কাছে পড়তে যাই না তাই রাকিব স্যার এর কাছে আসছি পড়তে আর এখন দেখি তুই এখানেও চলে আসছোস?বেয়াদব কোথাকার।(রাগি স্বরে)
অয়ন : দেখো অথী আমি তোমাকে ডিস্টার্ব করতে আসিনি আমি এখানে পড়তে আসছি।
সো এখানে সিনক্রিয়েট করোনা প্লিজজ!
অথী : কি?আসলে তুর না জীবনেও শিক্ষা হবে না সেদিন এতো গুলা মানুষ মিলে তুরে অপমান করলাম তবুও তুর শিক্ষা হয় নাই।
আর কি করলে তুর শিক্ষা হবে?
অয়ন : im sorry! প্লীজ সিনক্রিয়েট করোনা একবার আমার কথা টা শুনো প্লিজ।
সবাই জানলে আমাকে খুব খারাপ ভাববে।
অথী : প্লীজ! তাই?
তুই বুঝি খুব ভালো মানুষ?
শুন পড়তে আসছিস পড়বি আমাকে একদম বিরক্ত করবিনা বলে দিলাম।মনে থাকে যেনো।
অয়ন : ওকে! ঠিক আছে।(নরম স্বরে বল্লাম)
অনু : কিরে অথী তুরা আগে থেকে পরিচিত নাকি?
অথী : হ্যা! এটা সেই বখাটে যার কথা কিছুদিন আগে ও তোদের বলছিলাম।
ওকে তুরা থাক তুদের বন্ধু কে নিয়ে আমি গেলাম।ঐ অসভ্য আমার সামনে থেকে সর বলে ধাক্কা দিয়ে চলে গেলো অথী।
আমিও সেদিন আর পড়িনি বাসায় চলে আসছি।বাসায় এসে বিছানায় শুয়ে চিন্তা করতে লাগলাম কেনো এমন হচ্ছে আমার সাথে।
কি ভুল করছি আমি?এখন তো আর আগের মতো ডিস্টার্ব ও করিনা তাহলে আমাকে কেনো এতো খারাপ মনে করে?কেনো এতো অপমান করে?
দূর আজ থেকে ওর ছায়া ও মাড়াবো না আমি।কিসের ভালোবাসা ছিঃ! আমিও না বোকা দুনিয়ায় এতো মেয়ে থাকতে কেনো ওর পিছনে দৌড়াবো?ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়লাম।
তো পরদিন মেহেদীর কল পেয়ে কলেজে গেলাম।কলেজ যাওয়ার পর মেহেদি বল্লো আমাদের সংস্কৃতী অনুষ্ঠানের জন্য 1st year থেকে কিছু পারফর্মার নিতে হবে।সো সবাই মিলে 1st years এর ক্লাস রুমে গেলো।
সবাই ভিতরে গেলেও আমি আর গেলাম না কারণ আমি গেলে অথী মনে করবে তাকে দেখতে গিয়েছি তাই ভিতরে না গিয়েই বাহিরে দাড়িয়ে আছি।পারফর্মারদের নাম লেখা শেষ সবাই চলে আসছি।
এসে মাঠে বসে রাইসা,কনা,মেহেদীদের সাথে আড্ডা দিচ্চি এমন সময় অথী এসে বল্লো ঐ ফাজিল আজ যেরকম ছিলি প্রতিদিন এরকম থাকবি আর ভুলেও আমার সামনে আসবি না।
কথা টা শুনে মেজাজ খারাপ হয়ে গলো,,, ঠাসস ঠাসস শব্দে নিরব হয়ে গেলো চার পাশ।
বুঝতেই বাকি রইলো না যে অথীই অয়ন কে চড় মেরেছে।
নাহ্! আসলেই আমরা ভুল বুঝছি বরং আজ অয়ন অথী কে চড় মেরেছে।
অয়ন : আরে আমি তোকে পাগলের মত ভালোবাসি তাই বলে তুই যা করবি তা আমাকে মেনে নিতে হবে নাকি?
আমি তো ঐ দিনই শপথ করছিলাম তুরে আর বিরক্ত করবো না।আর তুই এই সুযোগ নিয়ে আমাকে বার বার যা খুশি অপমান করছিস।
তোর বুঝা উচিৎ ছিলো পৃথিবীতে এতো মেয়ে থাকতে আমি কেনো বার বার তুর কাছে ছুটে আসি।
আজ ভালো করে শুনে রাখ আমি তুর ছায়া ও মাড়াবো না আমার সামনে ও যেনো তুকে আর না দেখি।
বাজে মেয়ে কোথাকার! অয়ন অথী কে এসব বলে চলে আসছিলো পিছন থেকে...
অথী : ঐ তুই ও শুনে রাখ।আজ খুব বাড়াবাড়ি করে ফেললি এর জন্য তুকে ভুগতে হবে।আমি ও তুকে দেখে নিবো
অয়ন : আরে যা যা তুর মতো মেয়ে কি করতে পারে আমার ভালই জানা আছে।এই বলে সেখান থেকে বাসায় চলে আসলাম আমি।
রাতে ছাদে গিয়ে নিকোটিনের ধোয়া উড়িয়ে ভাবতে লাগলাম আমি একি করলাম যাকে আমি এতো ভালোবাসি তার গায়ে হাত তুললাম?
এই ভেবে ভিষণ কান্না করেছি তাই ওয়াশ গিয়ে ভালো করে মুখ ওয়াশ করে রুমে এসে ঘুমিয়ে পড়লাম ।
আম্মু : কিরে বাপ কয়টা বাজে পড়তে যাবি না?